বিজ্ঞানী স্যাঙ্গারকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়-
-
ক
ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য
-
খ
DNA এর দ্বি-হেলিক্স গটন প্রদানের জন্য
-
গ
প্রোটিনের হেলিক্স গঠন প্রস্তাবের জন্য
-
ঘ
সেলুলোজের গঠন প্রস্তাবের জন্য
বিজ্ঞানী স্যাঙ্গার কে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা:
- 1958 সালে, Frederick Sanger ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কার করেন।
- ইনসুলিন হলো একটি প্রোটিন যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- স্যাঙ্গার ইনসুলিনের অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণ করেন।
- এই আবিষ্কার ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার (১৩ আগস্ট ১৯১৮ - ১৯ নভেম্বর ২০১৩) একজন ইংরেজ প্রাণরসায়নবিদ। তিনি রসায়নে দুইটি নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি ছিলেন । পুষ্টি জগতের প্রোটিনের গঠনের ইতিবৃত্ত আসে ড. ফ্রেডিরিখের গবেষণা ও চিন্তার সূত্র ধরে। প্রোটিনের রাসায়নিক রূপ দাঁড় করানোর জন্য ১৯৫৮ সালে প্রথমবার নোবেল পান তিনি।পরবর্তীতে নিউক্লিক এসিডের বেস সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮০ সালে রসায়নেই পুনরায় নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
গুণগত রসায়ন
গুণগত রসায়ন হল রসায়নের একটি শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের মধ্যে কোন উপাদান বা যৌগ উপস্থিত আছে তা নির্ণয় করার সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত একটি পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, কোনো পদার্থ কী দিয়ে তৈরি, তা জানার চেষ্টা করা।
গুণগত বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য
- পদার্থের পরিচয়: কোনো অজানা পদার্থ কী দিয়ে তৈরি তা নির্ণয় করা।
- শুদ্ধতা নিরূপণ: কোনো পদার্থ শুদ্ধ কিনা তা নির্ণয় করা।
- মিশ্রণের উপাদান নির্ণয়: কোনো মিশ্রণে কোন কোন উপাদান রয়েছে তা নির্ণয় করা।
- রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বোঝা: বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরন বোঝা।
গুণগত বিশ্লেষণের পদ্ধতি
গুণগত বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- শিখা পরীক্ষা: বিভিন্ন ধাতুকে আগুনে পোড়ালে তারা নির্দিষ্ট রঙের আলো দেয়। এই রঙের উপর ভিত্তি করে ধাতু চিহ্নিত করা হয়।
- অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: একটি দ্রবণে কোনো বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ যোগ করলে একটি অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- গ্যাসীয় পরীক্ষা: কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট গ্যাস উৎপন্ন হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- বর্ণালী বিশ্লেষণ: কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে। এই আলোকে বিশ্লেষণ করে পদার্থের উপাদান নির্ণয় করা হয়।
- ক্রোমাটোগ্রাফি: এই পদ্ধতিতে একটি মিশ্রণকে তার উপাদানে বিভক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়।
গুণগত বিশ্লেষণের ব্যবহার
গুণগত বিশ্লেষণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন:
- রসায়ন: নতুন যৌগ আবিষ্কার, মিশ্রণ বিশ্লেষণ, শিল্পে ব্যবহৃত পদার্থের শুদ্ধতা নির্ণয়।
- জীববিজ্ঞান: জৈব যৌগের বিশ্লেষণ, খাদ্য পদার্থের গুণগত বিশ্লেষণ।
- পরিবেশ বিজ্ঞান: পানি, বায়ু এবং মাটিতে বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয়।
- ফরেনসিক বিজ্ঞান: অপরাধের ঘটনাস্থলে পাওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করে অপরাধী শনাক্ত করা।
Related Question
View All-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1 neutron and 1 proton
-
খ
2 neutron and 2 proton
-
গ
1 neutron and 2 proton
-
ঘ
2 neutron and 1 proton
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
Agl
-
খ
AgBr
-
গ
AgCl
-
ঘ
Agf
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন